betting site in bangladesh

ধাতু ক্ষয় রোগের হামদর্দ ঔষধ; কার্যকরী ৫ টি ঔষধ!

বর্তমানে শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণে ধাতু দূর্বলতায় ভুগছেন, এমন মানুষের সংখ্যা কম নয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস, ভেজালযুক্ত খাদ্য গ্রহণ ও বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার কারণে  মানবদেহ  প্রতিনিয়ত এ রোগের কবলে পড়ছে।

ধাতু দূর্বলতা বা ধাতু ক্ষয় প্রধানত পুরুষাঙ্গ হতে নির্গত অনিচ্ছাকৃত বীর্যপাত। বিনা কারণে বা প্রস্রাবের বেগ পাওয়ার সময় ও পরে পুরুষাঙ্গ হতে পানির ন্যায় তরল যে উপাদানটি বের হয়ে আসে তাই ধাতু ক্ষয় রোগের লক্ষণ। এটি একটি সাধারণ যৌন রোগ। এই রোগে গুরুত্ব আরোপ না করলে পরবর্তীতে এটি মারাত্মক ব্যধিতে রুপ নিতে পারে। 

ধাতু ক্ষয় রোগের চিকিৎসায় আমরা হামদর্দের ঔষধের উপর আস্থা রাখতে পারি। কারণ প্রাচীনকাল থেকেই ধাতু ক্ষয় রোগের চিকিৎসায় হামদর্দ এর ঔষধ বিশেষ সফলতা দেখাচ্ছে।

তাই আজকের প্রতিবেদনে আমরা ধাতু ক্ষয় রোগের চিকিৎসায় হামদর্দ এর ঔষধের উপকারিতা, সেবিনবিধি, এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করবো। 

ধাতু ক্ষয় রোগের হামদর্দ ঔষধ; কার্যকরী ৫ টি ঔষধ 

ধাতু ক্ষয়রোধ দূর করতে হামদর্দ এর ঔষধের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ হামদর্দ এর ঔষধে বিদ্যমান উপকারী উপাদানসমূহ ধাতু দূর্বলতা সম্পূর্ণ ভাবে দূর করে ও পাশাপাশি মানবদেহকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করে তোলে। চলুন জেনে নেওয়া যাক হামদর্দ এর ধাতু ক্ষয় রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত বেশ কিছু কার্যকরী ঔষধ সম্মন্ধে। 

১. নারভেন্ট 

নারভেন্ট প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বয়ে প্রস্তুতকৃত এক উপকারী মহৌষধ। এতে থাকা প্রাকৃতিক  উপাদানগুলো ধাতু ক্ষয়রোধ দূর করে। ফলে দ্রুত বীর্যপাত,অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ, অসময়ে বীর্যপাত, শুক্র তারল্য ইত্যাদি রোধ হয়। এছাড়া এই ঔষধ স্নায়বিক শক্তি বৃদ্ধি করে। ইহা জনন অঙ্গের শক্তি ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ইহা শুক্রথলি ও অন্যান্য যৌনাঙ্গের অক্ষমতা দূর করে। এছাড়া এই ঔষধ যৌন উত্তেজনার সময় পুরুষাঙ্গের ফাঁপা অংশে যে অতিরিক্ত রক্ত সঞ্চারিত হয়, তার উপর পেশির চাপ সৃষ্টি করে, ফলে মিলনকাল দীর্ঘস্থায়ী হয়। 

কার্যকারিতা

  • নারভেন্ট এ থাকা উপকারী উপাদানসমূহ দ্রুত বীর্যস্থলন, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ রোধ করে ফলে মানবদেহ ধাতু ক্ষয় রোগের হাত থেকে রক্ষা পাই।
  • ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগ যেমন:- সর্দি-কাশি, মাথা ব্যথা, জ্বর ইত্যাদি দূর করতে নারভেন্ট এর গুরূত্ব অপরিসীম। এতে থাকা উপকারী উপাদানসমূহ বিভিন্ন ঠান্ডাজনিত রোগ নিরাময়ে বেশ সহায়ক। 
  • নারভেন্ট এ থাকা উপকারী উপাদানসমূহ  স্নায়বিক শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। 
  • নারভেন্ট ডিম্বকোষের সূক্ষ্ম পেশি, শুক্রবাহী নালিকে বেশিক্ষণ সংকোচিত অবস্থায় রাখে ফলে মিলনকাল দীর্ঘস্থায়ী হয়।

নারভেন্ট এর সেবনবিধি 

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে দৈনিক ১-২ টি ট্যাবলেট সকালে ও রাতে আহারের পূর্বে অথবা রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবনযোগ্য।

নারভেন্ট এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া 

নারভেন্ট সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বয়ে তৈরীকৃত এক ঔষধ। নির্দিষ্ট মাত্রায় সেবনে উল্লেখযোগ্য কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি। তবে সেবনের পূর্বে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে অতিরিক্ত ডোজ যেন না হয়।

২. নিউটোন 

নিউটোন পরস্পরের ক্রিয়া বৃদ্ধিকারী প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বয়ে প্রস্তুতকৃত এক অনন্য ফর্মুলেশন যা শক্তির প্রকৃত উৎস হিসেবে বেশ কার্যকরী। নিউটোন প্রাকৃতিক ভাবে দেহের নিজস্ব গতি ফিরিয়ে আনে। এতে থাকা উপকারী উপাদানগুলো অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ, দ্রুত বীর্যপাত, ইত্যাদি দূর করে ফলে মানবদেহ ধাতু ক্ষয় রোগের হাত থেকে রক্ষা পাই এবং শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা ফিরে আসে। এছাড়া ইহা পেশী ও হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি করে, মস্তিষ্কের শক্তি ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে, রক্ত সরবরাহ উন্নত করে, ইহা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে ফ্রি রেডিকেলকে প্রতিহিত করে। যুবক থেকে বৃদ্ধ প্রত্যেকের জন্য একটি আদর্শ শক্তিবর্ধক।

কার্যকারিতা

  • নিউটোন এ থাকা উপকারী উপাদানসমূহ অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ, দ্রুত বীর্যস্থলন দূর করে থাকে ফলে মানবদেহে ধাতু ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা পাই।
  • নিউটোনে বিদ্যমান প্রাকৃতিক উপাদান সমূহ শারীরিক দূর্বলতা দূর করতে সহায়তা করে।
  • নিউটোন পেশি ও হাড় মজবুত করতে সহায়তা করে ফলে মানবদেহ থেকে পেশি ও হাড়ের দূর্বলতা দূর হয়।
  • ইহা রক্তস্বল্পতা দূর করে ও মানবদেহকে সুগঠিত ভাবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে। 

সেবনবিধি 

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে ১টি ট্যাবলেট দৈনিক ২-৩ বার অথবা রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবনযোগ্য।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া 

নারভেন্ট সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদানের সমন্বয়ে তৈরীকৃত ঔষধ। নির্দিষ্ট মাত্রায় সেবনে কোন উল্লেখযোগ্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি। তবে সেবনের পূর্বে অবশ্যই নিয়ম মেনে ইহা সেবন করতে হবে ও খেয়াল রাখতে হবে যাতে অতিরিক্ত ডোজ না হয়।

৩. নিশাত

নিশাত একটি নিরাপদ ইউনানী ঔষধ। যা যৌন শক্তি বৃদ্ধি করে, অসময়ে বীর্যপাত রোধ করে, ফলে যৌনসঙ্গম দীর্ঘায়িত ও আনন্দায়ক হয়। নিশাত সিনথেটিক হরমোন মুক্ত। যারা যৌন অক্ষম তাদের জন্য এটি মহৌষধ পরিক্ষিত। ইহা ব্যবহারে শরীরের হরমোনসহ জৈব রাসায়নিক পদার্থসমূহের উৎপাদন ও নিঃসরণ ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়ে ১-২ মাসের মধ্যে যৌনশক্তি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। 

কার্যকারিতা

  • নিশাত দ্রুত বীর্যপাত ও অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ দূর করে ফলে মানবদেহ ধাতু ক্ষয় রোগের হাত থেকে রক্ষা পাই। 
  • এতে থাকা উপকারী উপাদানসমূহ শারীরিক দূর্বলতা দূর করে ফলে মানবদেহে শারীরিক সুস্থতা ফিরে আসে।
  • নিশাত অবসাদ কাটিয়ে তুলতে সহায়তা করে। 
  • যাদের যৌনাকাঙ্খা দিনকে দিন হ্রাস পাচ্ছে তাদের যৌনাকাঙ্খা ফিরিয়ে আনতে এটি বেশ কার্যকরী। 

সেবনবিধি 

প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে দৈনিক ১-২ টি ট্যাবলেট সহবাসের ২ ঘন্টা পূর্বে দুধসহ পান করতে হবে অথবা রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন যোগ্য। 

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া 

নিশাত একটি নিরাপদ প্রাকৃতিক ঔষধ। নিদিষ্ট মাত্রায় সেবনে কোন উল্লেখযোগ্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি। তবে সেবনের পূর্বে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে অতিরিক্ত ডোজ যেন না হয়।

৪. লিবিডেক্স 

লিবিডেক্স প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বয়ে প্রস্তুতকৃত এক মহৌষধ। এতে থাকা উপকারী উপাদান সমূহ শুক্রতারল্য, মাত্রাতিরিক্ত স্বপ্নদোষ ও দ্রুত বীর্যস্থলন রোধ করে। ইহা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের রক্ত সঞ্চালনের প্রক্রিয়াকে সুসংহত রাখে। ইহা যৌবন ধরে ফলে বার্ধক্য দূর হয়। একটা সময় পর পুরুষদের টেস্টোস্টেরন ও মহিলাদের এস্ট্রোজেন হরমোন কমতে শুরু করে লিবিডেক্স উক্ত হরমোন সমূহের বায়োসিনথেসিস এর পূর্বের স্তর ডিএইচইএ ও মেলাটনিন এর নিঃসরণ বাড়িয়ে তোলে যা যৌবন ধরে রাখতে সহায়তা করে। লিবিডেক্স দেহের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক পদার্থ যেমন: হরমোন, অ্যামাইনো এসিড, মিনারেল, ভিটামিন, এনজাইম ও অন্যান্য নিউরো ট্রান্সমিটারের ঘাটতি সমূহ দূর করে। এর ফলে শরীর ও মন সতেজ ও প্রফুল্ল থাকে। 

কার্যকারিতা

  • লিবিডেক্স এ থাকা কার্যকরী উপাদান সমূহ দ্রুত বীর্যপাত ও মাত্রাতিরিক্ত স্বপ্নদোষ দূর করতে সহায়তা করে ফলে মানবদেহ ধাতু ক্ষয় রোগের হাত থেকে রক্ষা পাই। 
  • ইহা শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করে ফলে মানবদেহের সজীবতা ফিরে আসে।
  • এতে থাকা উপকারী উপাদান সমূহ স্নায়বিক শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। 
  • যৌনাকাঙ্ক্ষা বাড়াতে লিবিডেক্স এর ভূমিকা অপরিসীম। কারণ এতে থাকা উপকারী উপাদান যৌন অক্ষমতা দূর করে। 

সেবনবিধি 

প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে সহবাসের ১-২ ঘন্টা পূর্বে দুধসহ পান করতে হবে অথবা রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন যোগ্য।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া 

লিবিডেক্স প্রাকৃতিক উপাদান নিয়ে তৈরী। নির্দিষ্ট মাত্রায় সেবনে কোন উল্লেখযোগ্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি। তবে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে সেবন করলে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। 

৫. এনডিউরেক্স 

এনডিউরেক্স পুরুষের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী শক্তিবর্ধক ঔষধ। এনডিউরেক্স এ অতি মূল্যবান প্রাকৃতিক উপাদান সমূহ রয়েছে। যা একদিকে যেমন উল্লেখযোগ্য মাত্রায় টেস্টোস্টেরন নিসরণ বৃদ্ধি করে, অপরদিকে স্নায়ুতন্ত্রের ও পেশিতন্ত্রের কার্যকারিতা অনেকাংশে বাড়িয়ে তোলে। এনডিউরেক্স সেবনে পেনাইল টিস্যুর কর্মক্ষমতা ও পুরুষাঙ্গের ফাঁপা অংশে রক্ত সঞ্চালন ক্রমশ বৃদ্ধি পাই।

কার্যকারিতা 

  • এনডিউরেক্স এ থাকা উপকারী উপাদান সমূহ দ্রুত বীর্যপাত ও মাত্রাতিরিক্ত স্বপ্নদোষ রোধ করে ফলে মানবদেহে ধাতু ক্ষয় রোগের হাত থেকে রক্ষা পাই। 
  • এতে থাকা উপকারী উপাদানগুলো মানবদেহের শারীরিক ও স্নায়বিক দূর্বলতা দূর করে।
  • ইহা যৌন সঙ্গম পরবর্তী অসাড়তা ও দূর্বলতা দূর করতে বিশেষ সহায়তা করে। 
  • এছাড়া মুখের পক্ষাঘাত দূর করতে এর ভূমিকা অপরিসীম। 

সেবনবিধি 

একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে দৈনিক ২টি ক্যাপসুল ১-২ বার অথবা রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন যোগ্য। 

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া 

নির্দিষ্ট মাত্রায় সেবনে কোনো উল্লেখযোগ্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি। তবে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। অত্যধিক সেবন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হতে পারে। 

ধাতু ক্ষয় রোগের লক্ষণসমূহ

দ্রুত বীর্যপাত বলতে যৌন মিলনের সময় স্বামী- স্ত্রীর শারীরিক সুখ উপলব্ধি হওয়ার আগেই পুরুষের বীর্য ধরে রাখতে না পারার অক্ষমতা কে বোঝায়। কত মিনিট কে দ্রুত বীর্যপাত বলে তা আসলে বলা মুশকিল। তবে ধারণা করা হয় যে যৌন মিলনের সময় ২ মিনিটের চেয়ে কম সময়ের মধ্যে বীর্যথলি থেকে বীর্যরস বের হলে তাকে দ্রুত বীর্যপাত বলে। চলুন জেনে নেওয়া যাক দ্রুত বীর্যপাতের লক্ষণসমূহ কোনগুলো।

  • একটু উত্তেজিত হওয়া মাত্রই পুরুষাঙ্গ থেকে পানির ন্যায় তরল বীর্য বের হওয়া।
  • অধিকাংশ সময় যৌন সঙ্গীনির পূর্বেই বীর্যপাত ঘটে যাওয়া।
  • পুরুষাঙ্গের শিথিলতা দেখা দেওয়া।
  • সহবাসের সময় অনুভূতিহীনতা অনুভব করা।
  • সহবাস করার সময় নিজে তৃপ্তি অনুভব না করা ও লিঙ্গের অসাড়তা দেখা দেওয়া।

এই সমস্যা গুলো কারো দেখা দিলে বুঝতে হবে তিনি দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যায় ভুগছেন। 

ধাতু ক্ষয় রোগের কারণসমূহ

সাধারণত শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণে দ্রুত বীর্যপাত হয়ে থাকে। ফলে মানবদেহ ধাতু ক্ষয় রোগের কবলে পড়ে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, আমাদের শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সাথে মানসিক স্বাস্থ্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। ধাতু ক্ষয় রোগের কারণ হিসেবে শারীরিক ও মানসিক কারণসমূহ কে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে চলুন প্রথমে মানসিক কারণসমূহ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

মানসিক কারণ 

  • অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে মানবদেহ শারীরিক দূর্বলতা অনুভব করে ফলে সঙ্গিনীর সাথে মিলনের সময় দ্রুত বীর্যপাত ঘটে যা ধাতু ক্ষয়রোধে লক্ষণ।
  • স্বাস্থ্য নষ্টের মূল হচ্ছে দুশ্চিন্তা। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করলে মানবদেহ মানসিক ভারসাম্যহীনতা হয়ে পড়ে ফলে মিলনকালে দ্রুত বীর্যপাত ঘটে, যা ধাতু ক্ষয়রোধ হিসেবে পরিচিত।
  • ঘুম মানুষের দেহকে সুস্থ সবল রাখতে বিশেষ সহায়তা করে। ঘুমের ঘাটতি হলে মানবদেহ দূর্বল হয়ে পড়ে। ফলে মিলনকালে খুব দ্রুত বীর্যপাত হয়।
  • যৌনশিক্ষার অভাবে আমরা অনেকসময় যৌন বিষয়ক ভূল করে থাকি ফলে আমাদের দেহের যৌন ভারসাম্য নষ্ট হয় তা থেকে মিলনকালে দ্রুত বীর্যপাত হয়।
  • স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যের কারণে দৈহিক সম্পর্ক নষ্ট হয় ফলে মিলনকালে দ্রুত বীর্যপাত হয়। 
  • নিজের উপর আস্থা না হওয়ার ফলে মিলনকালে অনেকের ভয়-ভীতি অনূভুত হয় ফলে দ্রুত বীর্যপাত ঘটে।

শারীরিক কারণ

  • শারীরিক দূর্বলতার কারণে যৌনসঙ্গমে অনীহা দেখা দিতে পারে। ফলে জোরপূর্বক যৌন কার্যক্রলাপ করার সময় দ্রুত বীর্যপাত ঘটে যায়।
  • মাত্রাতিরিক্ত মাদক সেবনের ফলে যৌন দূর্বলতা দেখা দেয়। ফলে সঙ্গিনীর সাথে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হলে ১ মিনিটের কম সময়ে বীর্যপাত হয়।
  • মানবদেহে বিভিন্ন হরমোনজনিত সমস্যা থাকলে সহবাসের সময় দ্রুত বীর্যপাত হয়।
  • মূত্রনালীতে ইনফেকশন হলে যৌন অক্ষমতা দেখা দিতে পারে। ফলে সহবাসে দীর্ঘায়িত হয় না।
  • হার্টের সমস্যা থাকলে মানবদেহে রক্তের চাপ কমে যায় ফলে পুরুষাঙ্গে প্রয়োজনীয় রক্ত প্রবাহিত হয় না যা থেকে যৌন অক্ষমতা দেখা দেয়। ফলে সহবাসে দ্রুত বীর্যপাত ঘটে। 
  • নিয়মিত হস্তমৈথুনের ফলে যৌনাঙ্গের বিভিন্ন ক্রুটি দেখা দেয় ফলে সহবাস কালে দ্রুত বীর্যপাত হয়।
  • আঘাত পাওয়ার কারণে স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হলে সহবাসের সময় দ্রুত বীর্যপাত ঘটে। 
  • দীর্ঘদিন পর সহবাস করার ফলে অনেকসময় যৌন স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্তের সম্মুখীন হয় ফলে দ্রুত বীর্যপাত ঘটে। 

ধাতু ক্ষয়রোগ দূর করতে যেসকল পুষ্টিকর খাবার খেতে পারেন

ধাতু ক্ষয়রোধ দূর করতে পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব অপরিসীম। পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার মাধ্যমে আমারা যৌন জটিলতা থেকে রক্ষা পেতে পারি। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই খাবার কোনগুলো। 

ডিম

যৌন দূর্বলতা দূর করতে ও মানবদেহকে যৌন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করে তুলতে ডিমের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। যা সহবাসের সময় দ্রুত বীর্যপাত রোধ করতে বিশেষ সহায়তা করে। প্রতিদিন সকালে নাস্তার সাথে ১ টি করে ডিম খেতে পারেন এতে আপনার ধাতু ক্ষয় রোগের সমাধান হবে।

দুধ

দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রাণিজ ফ্যাট। যা ধাতু ক্ষয়রোধ দূর করে। যেসব খাবারে বেশি পরিমাণে ফ্যাট রয়েছে যেমন: দুধ, ঘি, মাখন, দুধের সর ও অন্যান্য ফ্যাটযুক্ত খাবার। এসব খাবার শরীরের সেক্স হরমোন বাড়াতে ও ধাতু ক্ষয়রোধ দূর করতে খুবই উপকারী। তবে খেয়াল রাখতে হবে সবগুলো যাতে প্রাকৃতিক ও স্যাচুরেটেড যুক্ত ফ্যাট হয়ে থাকে।

কলা

কলাতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি, ও পটাশিয়াম। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। আর ও কলায় রয়েছে ব্রোমালিয়ানও। যা শরীরের টেস্টোস্টেরন এর মাত্রা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। আর সর্বোপরি কলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে শর্করা যা মানবদেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। ফলে ধাতু ক্ষয় রোগের শন্খা দূর হয়। 

ভিটামিন সি জাতীয় ফল 

যৌন সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে খাবার তালিকায় নিয়মিত ভিটামিন সি জাতীয় খাবার রাখতে পারেন। কমলা, আপেল, আঙ্গুর, লেবু, তরমুজ ইত্যাদি ফল যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। গবেষণায় দেখা গেছে, একজন পুরুষের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অন্তত ১৫০ মিলি গ্রাম ভিটামিন সি যুক্ত খাওয়ার রাখা উচিত। যা ধাতু ক্ষয়রোধ জনিত সমস্যা দূর করতে অপরিহার্য। 

রসুন

রসুনের ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে আমরা প্রত্যেকেই জানি। প্রাচীনকাল থেকেই যৌন সক্ষমতা বাড়াতে রসুনের ব্যবহার হয়ে আসছে। এর মধ্যে একটি হলো ধাতু রোগ সরানোর ঘরোয়া উপায় হিসেবে। প্রতিদিন নিয়ম করে ১ কোয়া রসুন থেঁতো করে ১ গ্লাস দুধের সাথে মিশিয়ে ১৫-২০ দিন খেলেই আপনি ধাতু রোগ থেকে মুক্তি পাবেন। 

তুলসীর বীজ

তুলসীর বীজ ধাতু রোগ বা যৌন অক্ষমতা দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী। তুলসীর বীজ যে পরিমাণে নিবেন ঠিক ততটা পরিমাণ মিছরী ভালো করে বেঁটে পেস্ট করে নিতে হবে। পেস্ট করার পর এটি ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে এভাবে এক মাস নিয়মিত খেলেই দেখবেন ধাতু ক্ষয়রোধ দূর হয়ে গেছে। তবে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে তুলসীর বীজ একটু উষ্ণ প্রকৃতির যাদের লিভারের সমস্যা রয়েছে তারা এটি খাওয়া বন্ধ রাখতে পারেন।

শতমূলী গাছ

শতমূলী গাছ প্রধানত লতা জাতীয় গাছ। এর লতায় কাঁটা থাকে। এই গাছটি সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ এলাকায় বেশি জন্মে। এ গাছ বেশ গুণসম্পন্ন ও কার্যকরী। যা ধাতু ক্ষয়রোধ দূর করতে বেশ সহায়ক। শতমূলী খাওয়ার নিয়ম হচ্ছে এর মূল নিয়ে ভালো করে শুকিয়ে গুড়ো করে নিতে হবে এবং প্রতিদিন সকালে ৩-৪ গ্রাম শতমূলের গুড়া দুধের সাথে মিশিয়ে খেতে।  এভাবে নিয়ম করে একমাস খেলে দেখবেন আপনার ধাতু ক্ষয়রোধ দূর হয়ে গেছে।

ডার্ক চকলেট 

ডার্ক চকলেট ছোট বড় অনেকেরই বেশ প্রিয়। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফেনিলেথ্যালামাইন ও ক্যালরি যা ধাতু ক্ষয়রোধ করতে ও যৌন সুস্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা করে।

ধাতু ক্ষয় রোগের ঔষধ কোথায় পাবেন 

ধাতু ক্ষয় রোগের ঔষধ আপনি সহজেই হেলদি স্পোর্টস এর মাধ্যমে সূলভ মূল্যে অর্ডার করতে পারেন। এছাড়া হামদর্দের মেডিসিন শপে গিয়েও আপনি ধাতু ক্ষয় রোগের ঔষধ দেখে কিনতে পারেন।

মন্তব্য 

ধাতু ক্ষয়রোধ মারাত্মক কোন ব্যধি নয়। অপরিষ্কার স্থান ত্যাগ, ভেজালযুক্ত খাবার বর্জন ও নিয়মিত শরীরচর্চা করলেই দেখবেন আপনার ধাতু ক্ষয়রোধ দূর হয়ে গেছে। ধাতু ক্ষয়রোধ দূর কর‍তে বেশ কিছু উপকারী খাদ্য রয়েছে যা ধাতু ক্ষয়রোধ দূর করে। এছাড়া ধাতু ক্ষয়রোধ মারাত্নক ব্যধিতে পরিণত হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী হামদর্দের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত ঔষধ সেবন করতে পারেন। যা সেবনে করলে আপনি নিশ্চিত এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top